ক্যালেন্ডারের পাতা বলছে, আগামী অক্টোবরেই জীবনের ‘হাফ সেঞ্চুরি’ অর্থাৎ পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করতে চলেছেন তিনি। অথচ নেটপাড়ায় তাঁর সাম্প্রতিক জিম সেলফি দেখলে যে কারও চোখ চড়কগাছ হতে বাধ্য। টোনড ফিগার, মেদহীন কোমর আর পঞ্চাশের দোরগোড়াতেও তরতাজা যৌবনের জেল্লা নিয়ে ফের একবার খবরের শিরোনামে এলেন বলিউডের ‘মার্ডার’ গার্ল মল্লিকা শেরাওয়াত। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে জিমের পোশাক পরা কিছু ছবি শেয়ার করে নিজের চাবুক ফিগার এবং ফ্ল্যাট স্টমাকের আসল রহস্য ফাঁস করেছেন অভিনেত্রী। মল্লিকার স্পষ্ট বার্তা, এই শরীর কোনও ভাগ্যের জোরে বা শর্টকাটে মেলেনি, এর পেছনে রয়েছে লোহা ভাঙার কঠিন পরিশ্রম।
জিমের ডাম্বেল আর পাওয়ার র্যাকের মাঝে দাঁড়িয়ে পোজ দিয়ে মল্লিকা তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “কোনও ভাগ্য নয়। কোনও শর্টকাট নয়। আমি এই শরীরটা তৈরি করেছি দিনের পর দিন, রেপ বাই রেপ খেটে। এমনকি সেই দিনগুলোতেও জিম করেছি, যেদিন একদম ইচ্ছে করছিল না। আপনি যে কোনও বয়সে শুরু করতে পারেন। মন যখন সিদ্ধান্ত নেয়, শরীর তখন সাড়া দেয়।” চল্লিশের কোঠার শেষে এসে সাধারণত মানুষের মেটাবলিজম বা হজমশক্তি কমে যায় বলে যে ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে, মল্লিকা যেন নিজের শরীর দিয়ে তাকে পুরোপুরি বুড়ো আঙুল দেখালেন। তাঁর এই ফিটনেস কেবল সাময়িক কোনও ট্রেন্ড নয়, বরং দীর্ঘদিনের কঠোর শৃঙ্খলার ফল।
বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের মতে, মল্লিকার মতো টোনড লুক পেতে গেলে শুধু জিম করলেই হবে না, বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বদল আনা দরকার। শরীরের নির্দিষ্ট কোনও অংশ থেকে চর্বি কমানো সম্ভব নয়, তবে সঠিক উপায়ে মেদ ঝরিয়ে পেশি তৈরি করা যায়। এর জন্য খাবারের তালিকায় নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যার মূল ভিত্তি চারটি। প্রথমত, খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ালে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং ওজন কমার সময় পেশি নষ্ট হয় না, উপরন্তু প্রোটিন হজম করতে শরীরকে বেশি ক্যালোরি খরচ করতে হয়। দ্বিতীয়ত, ওটস, ব্রকলি বা বিনসের মতো খাবার, যাতে দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে, তা শরীরের পরিপাকক্রিয়াকে ধীর করে এবং পেটের ভেতরের বিপজ্জনক ফ্যাট জমতে দেয় না। তৃতীয়ত, অতিরিক্ত চিনি খাওয়া সরাসরি কোমরের মাপ বাড়িয়ে দেয়, তাই ময়দা বা সাদা চালের বদলে হোল গ্রেন খাওয়া উচিত। চতুর্থত, টক দই বা কিমচির মতো ফারমেন্টেড খাবার পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকরী।
মল্লিকা যেহেতু ‘রেপ বাই রেপ’ শরীর গড়ার কথা বলেছেন, তাই বোঝাই যাচ্ছে তিনি রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিংয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন। মল্লিকার মতো ফিটনেস পেতে বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ স্ট্র্যাটেজির কথা বলছেন, যেমন— ওজন তোলা বা শরীরের ওজনকে কাজে লাগিয়ে ব্যায়াম করলে মেটাবলিক রেট বা বিপাক হার ঠিক থাকে। পাশাপাশি হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং (HIIT) করলে ওয়ার্কআউট শেষ হওয়ার পরও বেশ কিছু ঘণ্টা শরীরে ক্যালোরি বার্ন হতে থাকে। এছাড়া বসে করার চেয়ে দাঁড়িয়ে ব্যায়াম করলে পেটের কোর মাসল বা পেশি অনেক বেশি সক্রিয় হয় এবং হার্ট ভালো রাখতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট জোরে হাঁটা বা সাইকেল চালানো উচিত।
সবশেষে মল্লিকা যে কথাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন, যেদিন জিম করতে ইচ্ছে করবে না, সেদিনই আসলে আসল লড়াই। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অন্তত ৭ ঘণ্টার গভীর ঘুম এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবন। কারণ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ বাড়লে শরীরে কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হয়, যা পেটে চর্বি জমায়। মল্লিকার এই মেদহীন অবতার আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে, মনের জোর যদি অটুট থাকে, তবে বয়স স্রেফ একটা সংখ্যা মাত্র।
জিমের ডাম্বেল আর পাওয়ার র্যাকের মাঝে দাঁড়িয়ে পোজ দিয়ে মল্লিকা তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “কোনও ভাগ্য নয়। কোনও শর্টকাট নয়। আমি এই শরীরটা তৈরি করেছি দিনের পর দিন, রেপ বাই রেপ খেটে। এমনকি সেই দিনগুলোতেও জিম করেছি, যেদিন একদম ইচ্ছে করছিল না। আপনি যে কোনও বয়সে শুরু করতে পারেন। মন যখন সিদ্ধান্ত নেয়, শরীর তখন সাড়া দেয়।” চল্লিশের কোঠার শেষে এসে সাধারণত মানুষের মেটাবলিজম বা হজমশক্তি কমে যায় বলে যে ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে, মল্লিকা যেন নিজের শরীর দিয়ে তাকে পুরোপুরি বুড়ো আঙুল দেখালেন। তাঁর এই ফিটনেস কেবল সাময়িক কোনও ট্রেন্ড নয়, বরং দীর্ঘদিনের কঠোর শৃঙ্খলার ফল।
বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকদের মতে, মল্লিকার মতো টোনড লুক পেতে গেলে শুধু জিম করলেই হবে না, বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় বদল আনা দরকার। শরীরের নির্দিষ্ট কোনও অংশ থেকে চর্বি কমানো সম্ভব নয়, তবে সঠিক উপায়ে মেদ ঝরিয়ে পেশি তৈরি করা যায়। এর জন্য খাবারের তালিকায় নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, যার মূল ভিত্তি চারটি। প্রথমত, খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়ালে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং ওজন কমার সময় পেশি নষ্ট হয় না, উপরন্তু প্রোটিন হজম করতে শরীরকে বেশি ক্যালোরি খরচ করতে হয়। দ্বিতীয়ত, ওটস, ব্রকলি বা বিনসের মতো খাবার, যাতে দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে, তা শরীরের পরিপাকক্রিয়াকে ধীর করে এবং পেটের ভেতরের বিপজ্জনক ফ্যাট জমতে দেয় না। তৃতীয়ত, অতিরিক্ত চিনি খাওয়া সরাসরি কোমরের মাপ বাড়িয়ে দেয়, তাই ময়দা বা সাদা চালের বদলে হোল গ্রেন খাওয়া উচিত। চতুর্থত, টক দই বা কিমচির মতো ফারমেন্টেড খাবার পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, যা ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকরী।
মল্লিকা যেহেতু ‘রেপ বাই রেপ’ শরীর গড়ার কথা বলেছেন, তাই বোঝাই যাচ্ছে তিনি রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিংয়ের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেন। মল্লিকার মতো ফিটনেস পেতে বিশেষজ্ঞরা কিছু বিশেষ স্ট্র্যাটেজির কথা বলছেন, যেমন— ওজন তোলা বা শরীরের ওজনকে কাজে লাগিয়ে ব্যায়াম করলে মেটাবলিক রেট বা বিপাক হার ঠিক থাকে। পাশাপাশি হাই-ইনটেনসিটি ইন্টারভাল ট্রেনিং (HIIT) করলে ওয়ার্কআউট শেষ হওয়ার পরও বেশ কিছু ঘণ্টা শরীরে ক্যালোরি বার্ন হতে থাকে। এছাড়া বসে করার চেয়ে দাঁড়িয়ে ব্যায়াম করলে পেটের কোর মাসল বা পেশি অনেক বেশি সক্রিয় হয় এবং হার্ট ভালো রাখতে সপ্তাহে অন্তত ১৫০ থেকে ৩০০ মিনিট জোরে হাঁটা বা সাইকেল চালানো উচিত।
সবশেষে মল্লিকা যে কথাটি মনে করিয়ে দিয়েছেন, যেদিন জিম করতে ইচ্ছে করবে না, সেদিনই আসলে আসল লড়াই। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অন্তত ৭ ঘণ্টার গভীর ঘুম এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবন। কারণ স্ট্রেস বা মানসিক চাপ বাড়লে শরীরে কর্টিসল হরমোন নিঃসৃত হয়, যা পেটে চর্বি জমায়। মল্লিকার এই মেদহীন অবতার আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে, মনের জোর যদি অটুট থাকে, তবে বয়স স্রেফ একটা সংখ্যা মাত্র।
তামান্না হাবিব নিশু